Wednesday, January 16, 2008

টিকেট কেটে অমর একুশে বই মেলায় ঢুকতে হবে?

১২ বা ১৩ জানুয়ারি সকাল বেলা চ্যানেল আইতে একটা লাইভ অনুষ্ঠান হচ্ছিল। সেখানেই প্রথম জানলাম এবারের বই মেলায় ঢুকতে দর্শকদের টিকেট লাগবে। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনিসুল হক এবং ফরিদ আহমেদ। আশ্চর্যজনকভাবে এ দুজন প্রবেশমূল্য নিয়ে আলোচনার সময় বিন্দুমাত্র সমালোচনা করলেন না। সকাল বেলার অনুষ্ঠানে ফোন কম আসে। সে জন্যই হয়তো দর্শকরাও কোনো প্রতিবাদ বা প্রশ্ন করলেন না। আজ বিডি নিউজে খবর দিয়েছে, অমর একুশে বই মেলায় ঢুকতে প্রবেশ মূল্য লাগবে। অন্য পত্রিকা ও টিভিতে খবরটা প্রচার হলে হয়তো সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া জানা যাবে।

খবরটা প্রথম শোনার পর ভেতর থেকে একটা প্রতিবাদ টের পেলাম। একুশে বই মেলাকে যারা স্রেফ বই বিক্রির বাজার ভাবেন তারা নিশ্চিত ভুল করেন। এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘ সময়ের উৎসব। পুরো ফেব্রুয়ারি জুড়ে এ উৎসবে ধর্ম-বর্ণ-বয়স নির্বিশেষে সকল মানুষ অংশ নেন। উৎসবের কেন্দ্রে থাকে অবশ্যই বই। লোকে বই কেনে। বইয়ের সঙ্গে পরিচিত হয়। তরুণ-তরুণীরা নানা বর্ণে সেজে মেলায় ঘোরে। দিন যতই যাচ্ছে ততোই মেলাটি লেখক-পাঠক-প্রকাশকদের একটা মিলন উৎসবে পরিণত হচ্ছে।

কিন্তু এ মেলা নিয়ে শাসকদের ষড়যন্ত্রের শেষ নেই। সম্পূর্ণ অসাম্প্রদায়িক এ আয়োজনকে ঠেকাতে তারা একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছেন। সামরিক শাসকদের সময়ে এ বই মেলার স্থান পরিবর্তনের জোর প্রচেষ্টা হয়েছিল। এ মেলাকে ম্লান করতে ডিসেম্বরেই ঢাকা বই মেলা নামে আরেক বই মেলার আয়োজন শুরু হয়। কিন্তু মানুষকে টানতে পারেনি সে মেলা। মানুষ বাংলা একাডেমির বই মেলাতেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন। ফলে, অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও ডাকা বই মেলা এখন পর্যন্ত ব্যর্থই। বিভিন্ন সময়ে এ বই মেলায় বিদেশী বই ঢোকানোর চেষ্টা হয়েছে। ভারতীয় প্রকাশকরা অনেক তদবির করেছেন। কিন্তু লেখক-প্রকাশকদের প্রতিবাদের কারণে তা হয়ে ওঠেনি। এ মেলা বাংলাদেশের পাঠক-লেখক-প্রকাশকদের মেলা হিসেবেই টিকে আছে।

এবার মেলায় নতুন উবদ্রব হিসেবে যুক্ত হয়েছে প্রবেশ মূল্য। বাংলাদেশের মতো জায়গায় টিকেট কেটে বই মেলা করা কতটা যৌক্তিক সেটা নিশ্চয়ই ভাবা দরকার। এখানকার পাঠকরা বই কিনুক না কিনুক মেলায় আসুক এটাই সবার চাওয়া। বই দেখতে দেখতে একটা কিনলেই প্রকাশকদের লাভ। যত কম দামের হোক টিকেট কেটে লাইনে দাঁড়ালে অনেকের আগ্রহই হারিয়ে যাবে। এমনিতেই প্রকাশকরা বলছিলেন, এ বছর বইয়ের বাজারে মন্দা যাবে। মন্দা অর্থনীতি বইয়ের বাজারেও ধস নামিয়েছে। ক্রেতাদের ক্রয়তালিকার মধ্যে বই নেই। এর মধ্যে যদি ভাসমান ক্রেতাদের টিকেট দিয়ে ঠেকানো হয় তবে বই মেলার সাফল্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠবে। মন্দা বইয়ের বাজার মাথায় রেখে এ বছর টিকেট চালুর সিদ্ধান্তকে স্রেফ বোকামি ছাড়া আর কিছু মনে হয় না।

পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষ চায় না, তাদের সর্বজনীন উৎসবের বাণিজ্যিকীকরণ না হোক। বই মেলার সঙ্গে মানুষের আবেগ জড়িত। গত বছর বই মেলায় গ্রামীন ফোনের স্পন্সর করা ভাস্কর্য নিয়ে মৃদু তর্ক উঠেছিল। কিন্তু মেলার খরচের কথা ভেবে সবাই মোটামুটি নীরব থেকেছেন। সবাই হয়তো ভেবেছেন, কত কিছুর জন্যই তো তারা স্পন্সর করে মেলায় করলে ক্ষতি কী? এবারও বিভিন্ন জায়গায় তাদের পোস্টার দেখা যাবে না, সে খবর এখন পর্যন্ত আমাদের কানে আসেনি। এই স্পন্সর বাড়িয়েও মেলার খরচ মেটানো যেত। প্রকাশকরাও স্টলের বিনিময়ে বড় অংকের টাকা দেন। কিন্তু ঠুঁটো জগন্নাথ মেলা কর্তৃপক্ষ সামান্য ধূলাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। পাঠক-লেখকের বসার একটু জায়গাও বের করেত পারে না। অন্য বড় সমস্যার কথা আপাতত তোলাই থাকলো।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেছেন, তারা টিকেটের টাকা দিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনার কাজ করবেন। আমাদের প্রশ্ন হলো, বাংলা একাডেমিকে কি সরকার বরাদ্দ দেয়া বন্ধ করেছে? আর এখন তারা কি নিয়েই বা গবেষণা করছেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রকল্পের টাকা এনে তারা কোথায় খরচ করলেন? এখন পর্যন্ত একটা বইও কেন বের হলো না? মজার ব্যাপার হলো, একাডেমির জন্য সরকারি বরাদ্দ পুরেটাই অপব্যবহার করে একাডেমি। কোনো জবাবদিহিতার ধার তারা ধারে না। গত কয়েক বছরে তাদের গবেষণা ও প্রকাশনার কোঠা মোটমুটি শূন্য। বর্তমান নীতি ধরে রাখলে আগামীতে দরকারি কোনো গবেষণা প্রকাশিত হবে কি না সন্দেহ। অথচ তারা এখন জনগণের কাছ থেকে গবেষণার টাকা চায়।

বাংলা একাডেমি বছরে এখন একটাই কাজ করে। ফেব্রুয়ারির বই মেলা। সেটাও যেনতেন প্রকারে সেরে সারা বছর বসে থাকে বিপুল সংখ্যক লোকবল নিয়ে। প্রশ্ন হলো, বাংলা একাডেমির জবাবদিহিতা কোথায়? সেখানে গেলে বছরের অন্য সময় লেখক-পাঠকদের দেখাও মেলে না। লেখক-পাঠকদের আকৃষ্ট করার কোনো উদ্যোগও তাদের নেই। অথচ এই প্রতিষ্ঠানটিই নাকি জাতির মননের প্রতীক।
বাংলা একাডেমি বই মেলায় প্রতিদিন প্রায় হাজার খানেক বা তারও বেশি লেখক-সাংবাদিক-প্রকাশক-প্রকাশনা সংশ্লিষ্ট মানুষ যায়। প্রশ্ন হলো, এই লোকগুলো কি প্রতিদিন টিকেট কেটে লাইনে দাঁড়াবে? প্রতিদিন শাহবাগ বা দোয়েল চত্ত্বর থেকে পাঠকরা টিকেট কেটে লাইনে দাঁড়াবেন? এত লোকের টিকেট বিক্রি করবে কে?

মেলা জমে উঠলে যেখানে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পা ফেলা যায় না। সেখানে এই হাজার হাজার মানুষের কাছে টিকেট কে বেচবে, কিভাবে বেচবে?

সবকিছু বিবেচনায়, আমার মনে হচ্ছে অমর একুশে বই মেলায় টিকেট চালু করার সিদ্ধান্তটি বাতিল করা উচিত। এই মেলা পাঠকদের জন্য বই কেনার অনুশীলন কেন্দ্র হিসেবে থাকুক। তাতেও যে ব্যবসা কম হয়েছে তা কিন্তু নয়। টিকেট ছাড়া মেলা করে গত তিন দশকে কোন মেলাটা ব্যর্থ হয়েছে? কোন মেলায় একাডেমি কর্তৃপক্ষ বা প্রকাশকদের পকেটে কম টাকা ঢুকেছে?
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৩ এম.এ.হামিদ বলেছেন: চমতকার লেখা
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
লেখক বলেছেন: চমৎকারের কী দেখলেন, বুঝলাম না।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৭ এস্কিমো বলেছেন: খবরটা শুনে খুবই ভাল লাগলো।
ফ্রী কোন জিনিসই ভাল না। ফ্রী সার্ভিস সব সময়ই লো কোয়ালিটি হয় আর জবাবদীহিতা থাকেনা। পুঁজির বিকাশে সবাইকে সহায়তা করা দরকার।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪০
লেখক বলেছেন: আপনার জ্ঞানগর্ভ কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। এখন বলেন, টিকেট চালু করলে কেমনে পুঁজির বিকাশ হবে? আপনার মা তো আপনাকে ফ্রি জন্ম দিছে, আপনি কি তাতে লো কোয়ালিটির হইছেন?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪০ অপু বলেছেন: কি বলেন এইসব?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪১
লেখক বলেছেন: আপনের কথা বুঝি নাই।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪২ মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: খুবই ভালো বিষয় নিয়ে লিখেছেন,এ বিষয়টিতো জানতাম না!খুবই খারাপ হবে বিষয়টি।স্পন্সরশিপ বিষয়ে একমত।আমার ধারণা টিকেটের কারণে পাঠক ও দর্শক আগ্রহ হারাবে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। সহমত।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৪ এম.এ.হামিদ বলেছেন: মাহবুব মিয়া এস্কিমোর যেটা কইলেন সেটা কি শালীন। একটা অনুষ্ঠানের প্রয়োজন পয়সার আর সেটা নিয়া এস্কিমো ভাবে সেটা ব্যভারকারী দেক। অর্থাত যারা বইমেলায় যাবে। বাংলা একাডেমী দিলে তো সেটা সরকার থেকে আসবে, আর সরকার তো টাকাটা কর থেকে দিবে, করটা আসবে সব মানুষের থেকে। কলিমুদ্দি চাষা কেন আমার বই ভালোবাসার জন্য পয়সা দিবো
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
লেখক বলেছেন: অশালীন কী দেখলেন?
আর আপনেই কি এস্কিমো? এস্কিমো না হইলে কথা বইলেন না। জ্ঞানী ব্যক্তির সঙ্গে আলাপে আমি মজা পাই।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৪ হট্টগোল বলেছেন:

বাহ। খুব সুন্দর, চমৎকার পোস্ট।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
লেখক বলেছেন: ভাল বলছেন।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৬ মদনবাবু বলেছেন:
জংগিবাদ ঠেকাতে নিরাপত্তার খরচ বোধহয় বেশী লাগতেছে । তাই এমন টিকিট সিস্টেম । আর দুইটা টাকা কি খুব বেশী আজকাল? ফকিররাও তো নিতে চায় না দুইটাকা ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
লেখক বলেছেন: আপনের যুক্তিও তো দেখি খাসা।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৭ এস্কিমো বলেছেন: আপনার মা তো আপনাকে ফ্রি জন্ম দিছে, আপনি কি তাতে লো কোয়ালিটির হইছেন?


- আমি সত্যই দু:খিত এই রকমের একটা কমেন্ট আপনার কাছ থেকে পাবো। একজন শিক্ষতি মানুষ তার কথা বলার জন্যে "মা" ছাড়াও আরো অনেক প্রসংগ আনতে পারে। বিষয়টা একটু বুঝিয়ে বলবেন - আমার মা নিয়ে আমাকে আক্রমনটা কেন করলেন?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫০
লেখক বলেছেন: আপনের কাছ থেকেও ফ্রি নিয়া ওই রকম কমেন্ট আমি আশা করি নাই। আপনে জ্ঞানী ব্যক্তি। আপনেরে দেখাইলাম। পৃথিবীর সবচেয়ে দরকারি কাজটা ফ্রি হয়। আপনে দুঃখ পাইলেন কেন? মায়ের কাছে ঋণ স্বীকার করুন। ফ্রি কিছু করার চেষ্টা করুন। ফ্রি কিছু পাওয়ার চেষ্টা করুন। পুঁজির বিকাশই শেষ কথা নয়।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৯ স্নোবল বলেছেন: সুশীল সমাজের চেহারা ধরা পড়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে!
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫১
লেখক বলেছেন: তাই তো মনে হচ্ছে।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৯ এস্কিমো বলেছেন: শিক্ষতি = শিক্ষিত
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫১
লেখক বলেছেন: হ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫০ অমিত বলেছেন: আপনার মা তো আপনাকে ফ্রি জন্ম দিছে, আপনি কি তাতে লো কোয়ালিটির হইছেন?

এই ধরণের আক্রমণাত্মক অশ্লীল কমেন্টের কি অর্থ ?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫২
লেখক বলেছেন: ব্যাখ্যা করেন এইটা কেন অশ্লীল।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৭ এস্কিমো বলেছেন: ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫০
লেখক বলেছেন: আপনের কাছ থেকেও ফ্রি নিয়া ওই রকম কমেন্ট আমি আশা করি নাই। আপনে জ্ঞানী ব্যক্তি। আপনেরে দেখাইলাম। পৃথিবীর সবচেয়ে দরকারি কাজটা ফ্রি হয়। আপনে দুঃখ পাইলেন কেন? মায়ের কাছে ঋণ স্বীকার করুন। ফ্রি কিছু করার চেষ্টা করুন। ফ্রি কিছু পাওয়ার চেষ্টা করুন। পুঁজির বিকাশই শেষ কথা নয়।


- তাইলে ফ্রি নিয়া কমেন্ট করার অপরাধে আপনে আমাকে মা নিয়ে আক্রমন করেছেন। আপনি একটা পোস্ট দিয়েছে অপেন স্পেসে। এখানে আমি আমার মতামত দিয়েছি। আমি কোন কিছুই ফ্রিতে বিশ্বাসী না। সেটা কি আমার অপরাধ? আপনি আমার মাকে নিয়ে আক্রমনটার মাধ্যমে কি বুঝাতে চাইলেন সেটা বুঝার ক্ষমতা আশা করি আমাদের সবার আছে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৩
লেখক বলেছেন: মহান এস্কিমো,
প্রথমত আপনি অপ্রাসঙ্গিকভাবে কমেন্ট করেছেন। আপনি আমার পোস্ট পড়েননি। পুঁজির বিকাশ নিয়ে যা বলছেন তা নিয়া হংস করা সম্ভব। পরন্তু ফ্রির বিপক্ষে এমনভাবে দাঁড়াইছেন যেন সেইটা একটা সর্বজনীন ব্যাপার! শোনেন, এই সব ছাড়েন। মুক্তির আনন্দ করেন, ভাল কথা। কিন্তু অপ্রাসঙ্গিকভাবে কমেন্ট করবেন না।
মা সন্তানকে জন্ম দেয়, বড় করে তোলে এবং এর বিনিময়ে কিছুই নেয় না। এইটা দুনিয়ায় ফ্রির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। আপনে যুক্তিতে না পাইরা এইটা মানতে না পারলে তো হবে না। মাইনা নেন। এতে আপনার জ্ঞান আরো সমৃদ্ধ হবে।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৮ মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা দেখে খুব ভাল লাগছে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৮ হট্টগোল বলেছেন:

ফ্রি নিয়া এই ট্রেড দুনিয়ায় বহুত কিছুই হয়। একটা তো প্রবাদই আছে যে নাথিং ইজ ফ্রি ইন দিস ওয়াল্র্ড। যদিও আমি চাই বইমেলা ফ্রি থাকুক।

কিন্তু মাহবুব মোর্শদের মতো ফালতু সুশীলা ফ্রি জিনিসটার সঙ্গে 'মা'রে টাইনা আনল কোন হিসেবে।

মনে হয় থাবড় মাইরা হালার দাঁত ফালাইয়া দিই।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৪
লেখক বলেছেন: আইসেন একদিন। আমার একটা দাঁত ফেলানো দরকার।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৯ এম.এ.হামিদ বলেছেন: হ্যার মার লগে আলোচনার লিনক কি? হে তো হ্যার মারে আনে নাই। বইমেলার মা নাই। আপনে আবার একানে অন্য কথা টানেন কেন?

এস্কিমোর মার লগে আপনার আলোচনার লিনক কি?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৫
লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়েন বুঝবেন।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০০ . . . এখনো খুঁজি বলেছেন: .

@ মাহবুব মোর্শেদ

এক্সিমোকে আপনি যা বলেছেন , তা আপনার মতো "জ্ঞানী ব্যক্তি" - এর কাছ থেকে প্রত্যাশিত ছিল না । ( আমি ধরে নিয়েছি যে আপনি "জ্ঞানী ব্যক্তি"। কারণ আপনি বলেছেন - " জ্ঞানী ব্যক্তির সঙ্গে আলাপে আমি মজা পাই। নিশ্চয় আপনি নিজেও জ্ঞানী ব্যক্তি । "
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৫
লেখক বলেছেন: আপনার যুক্তিবোধ প্রখর।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০০ হট্টগোল বলেছেন:

আমি যদি চাই যে বইমেলা ফ্রি না থাকুক টিকেটের বিনিময়ে প্রবেশাধিকার থাকুক, তাইলে কি আপনে আমার মা-কে নিয়েও টানাটানি করবেন?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭
লেখক বলেছেন: টানাটানি মানে কী? একটু সাবধানে কমেন্ট কইরেন ভাইজান।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০২ আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
অসাধারণ পোস্ট। বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারের ইতিহাসে এই ধরনের পোস্ট এর আগে কখনোই কেউ লিখতে পারে নাই।

শীগগিরই স্টিকি করার অনুরোধ জানাই।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭
লেখক বলেছেন: আপনে একটা লেখছেন এর বাইরে।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৪ মিরাজ বলেছেন: টিকিট কেটে বইমেলায় ঢোকার ধারণা যার মাথা থেকেই বেরোক এটা পরিবর্তন করা দরকার । বইমেলার সার্বজনীননতার স্বার্থেই এটা দরকার ।

বইমেলার প্রাণ হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদর নিয়মিত আড্ডা আর নতুন বই এর খোজে মেলা খুজে বেড়ানো । মেলা চলাকালীন প্রতিদিন ক্লাস শেষে বা ক্লাসের ফাকে চলে যেতাম বই মেলায় । টিকিট প্রথা করা হলে এইসব স্বতস্ফূর্ততায় ভাটা পড়বে ।


১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৮
লেখক বলেছেন: থ্যাঙকস মিরাজ ভাই।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৫ . . . এখনো খুঁজি বলেছেন: বাই দ্যা ওয়ে, টিকেটের দাম যদি ২ টাকা হয় (মদনবাবু বলেছেন ) তাহলে সেটা ফ্রি'র-ই নামান্তর ।

অবশ্য-ই একাডেমীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৯
লেখক বলেছেন: দুই টাকা এখনও অনেকের কাছে টাকা ভাইটি।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৬ এম.এ.হামিদ বলেছেন: তো সারোগেট মাদারের গর্ভে হইলে কোয়ালিটি খারাপ হয়। কে জানি কইসিল

কুপুত্র যদিও হয় কুমাতা কখনো নয়

এস্কিমোর মার সাথে কোন লাইন গুলার লিনক দয়া কইরা দেখান নাইলে মাফ চান
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১০
লেখক বলেছেন: এইগুলা কী বলেন?


১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭ জেনারেল বলেছেন: মামো দেখি এখন ত্রিভুজের রোল প্লে করতাছে,
পুষ্ট পড়েন বুঝবেন, আপনার এই বিষয়ে আরও পড়ালেখা করা দরকার ইত্যাদী।

যাই হোক,
পোষ্ট ভাল হইছে
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৮ হট্টগোল বলেছেন:

মিরাজ @ এস্কিমোর মা-কে নিয়ে মুর্শেদের কমেন্টে আপনার প্রতিক্রিয়া কি?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৮ অমিত বলেছেন: শ্লীল অশ্লীল বিষয়টা সম্পূর্ণ নির্ভর করে নর্মের উপর। আপনি কি পরিবেশে অথবা কি ধরণের শিক্ষা পেয়ে মানসিক ভাবে বিকাশ হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন সেটা বলতে পারব না, তবে বাংলাদেশের আর দশটা সাধারণ মানুষেরটা বলতে পারি। সেখানে সাধারণত ভদ্রভাবে কোনও তর্কে অথবা কনভারসেশনে মা-বাবার যৌনসম্পর্ক অথবা মা দ্বারা সন্তানের জন্ম প্রক্রিয়ার সংগে তুলনা দিয়ে কিছু বলা ভদ্রতা বহির্ভূত শিষ্টাচার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আবারও বলছি, এইটা নির্ভর করে মানুষ যে পরিবেশে মানুষ হয়েছে সেটার উপর।এটাকে আমি খারাপ বলে ট্যাগিং করতে দ্বিধাবোধ করি। আমি আমার বাবার মুখে স্টুপিড/ ইডিয়ট ছাড়া অন্য কিছু শুনলে অবাক হবে, সেখানে হয়ত কেউ কেউ দিন শুরু করে খান.ির পোলা শুনে। যেখানে কারও কারও রাজাকার/ জামাত দেখলে শু.োরের বাচ্চা বলাটা স্বাভাকিক প্রতিক্রিয়া, সেখানে কারও কারও কাছে সেটা হয়ে যায় অশ্লীল, গালিবাজ।সুশীল লোকজন তখন সুর তোলে সুস্থ বিতর্কের !!
তর্কই যদি করতে হয়, তাহলে কি মা দ্বারা সন্তানের জন্মপ্রক্রিয়ার সংগে টিকেট কেটে মেলায় ঢোকার তুলনা করাটাকে কি সুস্থ্য বিতর্ক বলা যায় ?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৮ হমপগ্র বলেছেন: @এম.এ.হামিদ

আপনাকে অনেক বেশি ধন্যবাদ। এদের কিছু বলে লাভ নাই। সুশীল তো।

আর মাহবুব মোর্শেদ,
আপনার কমেন্টটে আমিও কষ্ট পাইছি। এখানে এরকম উত্তর দিয়ে প্রতিহিংসা পরায়নতার পরিচয় দিলেন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১০ . . . এখনো খুঁজি বলেছেন: .
@ এক্সিমো

ফ্রি সবসময় খারাপ হয়না ভাইয়া। ফ্রি ওপেন সোর্স অনেক ভাল
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১২ জেনারেল বলেছেন: মিরাজ সাহেব,
এস্কিমোর মা'কে নিয়া কমেন্ট সম্পর্কে কিছূ বলুন?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৩ অমিত বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা দেখে খুব ভাল লাগছে।

ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা মানে কি ?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৪ মদনবাবু বলেছেন: মিরাজভাই কয় বৎসর হলো বইমেলাতে যান না?

এই কয়েক বছরে যেভাবে মানুষকে লাইন ধরে টিএসসি থেকে কয়েক বার পেচিয়ে মেলাতে শুধুমাত্র একটা গেট দিয়ে ঢুকতে হচ্ছে কই তাতে কি মেলার আকর্ষন কমছে ?

যার যাবার সে শত ঝামেলাতেও যাবে । ব্যপারস্‌ না ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৪ সুশীল সমাজ বলেছেন: পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৫ এম.এ.হামিদ বলেছেন: এস্কিমোর মার সাথে কোন লাইন গুলার লিনক দয়া কইরা দেখান নাইলে মাফ চান
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৫ স্নোবল বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ সাহেব পোস্ট দিলেই দেখি হিট...একঘন্টায় ৬০/৭০ টা কমেন্ট পড়ে। এনিওয়ে, মিরাজ সাহেব কি বলেন ওই কমেন্টটার ব্যাপারে? মিরাজ সাহেব কলম বিরতির সময় মাহবুব মোর্শেদের একনিষ্ঠ সাপোর্ট পেয়ে আসছেন, এবং সাপোর্ট দিয়ে আসছেন। যতদুর মনে পড়ে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৬ সুশীল সমাজ বলেছেন: মা, মু এর চাকা পাংচার হয়ে গেছে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৭ হট্টগোল বলেছেন:

মিরাজ সাহেব,
এস্কিমোর মা'কে নিয়া কমেন্ট সম্পর্কে কিছূ বলুন?

পিছলান কেন? একটাই তো প্রশ্ন করছি।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৮ এস্কিমো বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ:

আপনার কথা দিয়েই বলি"

"প্রথমত আপনি অপ্রাসঙ্গিকভাবে কমেন্ট করেছেন। আপনি আমার পোস্ট পড়েননি। পুঁজির বিকাশ নিয়ে যা বলছেন তা নিয়া হংস করা সম্ভব। পরন্তু ফ্রির বিপক্ষে এমনভাবে দাঁড়াইছেন যেন সেইটা একটা সর্বজনীন ব্যাপার! শোনেন, এই সব ছাড়েন। মুক্তির আনন্দ করেন, ভাল কথা। কিন্তু অপ্রাসঙ্গিকভাবে কমেন্ট করবেন না।
মা সন্তানকে জন্ম দেয়, বড় করে তোলে এবং এর বিনিময়ে কিছুই নেয় না। এইটা দুনিয়ায় ফ্রির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। আপনে যুক্তিতে না পাইরা এইটা মানতে না পারলে তো হবে না। মাইনা নেন। এতে আপনার জ্ঞান আরো সমৃদ্ধ হবে।"


আপনি ধরে নিচ্ছেন আপনার পোস্টে আমি অপ্রাসংগিক মন্তব্য করেছি। আপনার কাছে যা প্রাসংগিক সেটা হয়তো অন্যের কাছে অপ্রসাংগিক মনে হবে। সেটাইতো বিতর্ক।


আপনি অপ্রসাংগিক মন্তব্যের শাস্তি হিসাবে আমার মাকে টেনে এনে একটা অত্যন্ত নীচ আক্রমন করেছেন। আপনি ভাল করেই জানেন - আমি আর আপনি একই দেশের মানুস হিসাবে জানি - মা নিয়ে মন্তব্য করা কতটা হীন।


ব্লগে এসে প্রচুর গালি শুনি। সবগুলোই আসে একটা বিশেষ ধরনের ব্লগারদের কাছ থেকে । কিন্তু জামাত/শিবিরের সমর্থকরাও এতো নোংরা আক্রমন করেনি কখনও।


আমি পোস্টের বিষয়ে মন্তব্য করলেও আপনি সেটাকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নামিয়ে এনেছেন। আপনারই বলতে পারবেন বিতর্কের সময় মাকে নিয় আক্রমন কোন স্থরে সভ্যতার প্রতিফলন।


যাই হোক। আপনিই ভাল জানেন কেন আমাকে এতো নোংরা ভাবে আক্রমন করে সেটা "মাইনা" নিতে বলছেন। আমি জানি না মাকে বিতর্কের কেন্দ্রে এনে কোন ধরনের "জ্ঞান" বাড়বে। তবে জ্ঞান একটা হয়েছ। সেটা আপনিও জানেন - কি জ্ঞান আমাকে দিলেন।


যদি কখনও বুঝতে পারেন কোন নোংরা পথে আমাকে আক্রমনটা করেছেন - এক মুহূর্তের জন্যে হলেও নিজের কাছে দু:খিত হবেন - এটাই আশা করি।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২০ মিরাজ বলেছেন: মাহবুব ভাই ফ্রি এর তুলনা হিসাবে মায়ের সন্তান জন্ম দেয়ার যে উদাহরণ দিয়েছেন তা কেন দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা উনি দিয়েছেন । আমার দৃষ্টিতে তার ব্যাখ্যা যথেষ্টই সন্তোষজনক।

তবে এটা নিশ্চিতভাবেই ফ্রি কোন কিছু বোঝাবার জন্য খুব আদর্শ উদাহরণ নয় বিশেষ করে 'মা' এর ব্যাপারটা যেহেতু সেনসিটিভ এবং চাইলে এই ধরনের একটা কমেন্টকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ আছে। আমার মতে এই ধরণের উদাহরণ না দেওয়াই উচিত।

তবে সেই কমেন্টের ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেবার পরেও আপনারা যা করছেন তাকেও সাধুবাদ জানাতে পারছিনা । মন্তব্যটি অনভিপ্রেত হতে পারে কিন্তু এটি অশ্লীল নয়, এটাকে অশ্লীলতার সাথে ইচ্ছা করে গুলিয়ে ফেলার অর্থ হয়না ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২০ . . . এখনো খুঁজি বলেছেন: ।

@ মাহবুব মোর্শেদ

যাকে বা যাদের আপনি বকা ঝকা করতে চান, তাদের বলার মত অনেক কিছু-ই আছে । যদ্দুর মনে পড়ে এর আগে আপনি "ভার্চুয়াল গুন্ডা" ব্যবহার করেছেন ।

প্লিজ, কাঊকে তিরষ্কার করার জন্য এমন কিছু ব্যবহার করেন না যাতে "মুক্তিযোদ্ধা" শব্দটা আছে ।

ঋণাত্মক কোন অর্থে "মুক্তিযোদ্ধা" শব্দটাকে মানায় না ।

...........................................................

ঠিক আছে, মেলা ফ্রি থাকলেও ভাল। দুটো ব্যপার-ই আমার কাছে প্রায় সমান ।

তবে হয়তো আপনার কথা-ই ঠিক "দুই টাকা এখনও অনেকের কাছে টাকা" ।


১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২২ মদনবাবু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: দুই টাকা এখনও অনেকের কাছে টাকা ভাইটি।

ঠিক বলেছেন । একটা বেনসন সিগারেট দুইবার টানার মত কষ্টকর ব্যপার আর হয় না । হা হা হা ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৩ মনিটর বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট। বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারের ইতিহাসে এই ধরনের পোস্ট এর আগে কখনোই কেউ লিখতে পারে নাই।

কাগজ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলা সাহিত্যের শুন্য দশকের সাহিত্য সমপাদকের মুখে এ কি কথা? শফিক রেহমান ভাল ট্রেনিং দেয়াইছে।

এই না হৈলে সুশীলের জোব্বা স্খলন? আজ আরও এক সুশীল জোব্বা খুলছে।

আপনাকে ওভিনন্ধন মাহবুব মোরশেদ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৪ হট্টগোল বলেছেন:

মিরাজ @ মন্তব্যটি অনভিপ্রেত এইটা তো মাহবুব মুর্শেদ বলছে না। আপনি বুঝছেন কি করে।

আপনি আরো সোজা করে উত্তর দেন। ফ্রি বিষয়ে এস্কিমোর তর্কের সঙ্গে তার মা-কে জড়ানো কোন ধরনের চিন্তাভাবনা।

আপনি যদি এটাকে সমর্থন করে তাহলে ভবিষ্যতে কোন তর্কের খাতিরে আমি যদি আপনাকে মা-কে টেনে আনি, আপনি সমর্থন দেবেন তো?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫ এম.এ.হামিদ বলেছেন: মীরাজ ভাই এর যু্ক্তি তর্ক বড় ভালা
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫ হাসিব বলেছেন:

মিরাজরে দেখে আমি ঢাবির ভবিষ্যত নিয়া চিন্তিত ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫ হমপগ্র বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা দেখে খুব ভাল লাগছে।

"আপনার সমস্যা কী? কর্তৃপক্ষের তোষণ করে লাভ হয় নাই তাই"? কি হইছি কী আপনার?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৬ স্নোবল বলেছেন: মিরাজ বলেছেন: মাহবুব ভাই ফ্রি এর তুলনা হিসাবে মায়ের সন্তান জন্ম দেয়ার যে উদাহরণ দিয়েছেন তা কেন দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা উনি দিয়েছেন । আমার দৃষ্টিতে তার ব্যাখ্যা যথেষ্টই সন্তোষজনক।
---------------------------------------------------------------------------
মিরাজ সাহেব, আপনার সম্পর্কে আমার একটা ধোঁয়াটে ভাব ছিল। ঠিক বুঝতাম না আপনি কি খুবি নম্র ভালো মানুষ, নাকি বেশ কিছু ব্যাপারে যথেষ্ঠ হিপোক্রিট। এই কমেন্টের পর আপনার সম্পর্কে আমার কনফিউশন দূর হয়ে গেলে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৭ মুকুল বলেছেন: এস্কিমোর প্রতি "মা" নিয়ে এ ধরনের নোংরা উক্তির তীব্র প্রতিবাদ করছি।

আশা করি আপনি দূঃখপ্রকাশ করবেন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩০ হট্টগোল বলেছেন:

দুঃখপ্রকাশ মিরাজকেও করতে হবে।

দালালির একটা সীমা থাকা দরকার।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩১ নরাধম বলেছেন: মিরাজভাই, আপনার যুক্তির বলিহারি। আপনাকে নিয়ে খুবই হতাশ হলাম। আপনি যে গালি নিয়ে এত পোস্ট দিলেন তাদের গালি এর থেকে অনেক কম অশ্লীল। I am very very disappointed with you আপনার অনুরোধে গালিবাজি কমানোর চিন্তা করেছিলাম, কিন্তু এই যদি হয় সুশীলদের অবস্থা, তাহলে সুশীলদের মুখে থু। গালিবাজ থাকতে চাই। গালিবাজি করলেও কোনদিন মা নিয়ে কথা বলিনি এভাবে। আমি জানি এস্কিমোর প্রতি আপনি একটু রুষ্ট আছেন এবং তার যৌক্তিকতাও আছে। কিন্তু তাই বলে এরকম অশ্লীল এক কমেন্টকে আপনি সমর্থন করে গেলেন? I can't express how bad I feel now.
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩২ সু-শান্ত বলেছেন: এস্কিমোর প্রতি "মা" নিয়ে এ ধরনের নোংরা উক্তির তীব্র প্রতিবাদ করছি।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩২ এস্কিমো বলেছেন: মিরাজ বলেছেন: মাহবুব ভাই ফ্রি এর তুলনা হিসাবে মায়ের সন্তান জন্ম দেয়ার যে উদাহরণ দিয়েছেন তা কেন দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা উনি দিয়েছেন । আমার দৃষ্টিতে তার ব্যাখ্যা যথেষ্টই সন্তোষজনক।


মিরাজ - আপনিও? ছিঃ

আপনার সাথে আমার অনেক মতের অমিল হয়। তা বলে এখানেও ....ছিঃ
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৩ হাসিব বলেছেন:

অপ্রাসঙ্গিকভাবে এস্কিমোর মাকে টেনে এনে নোংরা উক্তি করার প্রতিবাদ জানাচ্ছি । এইসাথে মিরাজের নির্লজ্জ সমর্থনকেও ঘৃনা জানালাম ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৪ মিরাজ বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন : মা সন্তানকে জন্ম দেয়, বড় করে তোলে এবং এর বিনিময়ে কিছুই নেয় না। এইটা দুনিয়ায় ফ্রির সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
--------------------------------------------------------------------------------
মিরাজ বলেছেন : মাহবুব ভাই ফ্রি এর তুলনা হিসাবে মায়ের সন্তান জন্ম দেয়ার যে উদাহরণ দিয়েছেন তা কেন দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা উনি দিয়েছেন । আমার দৃষ্টিতে তার ব্যাখ্যা যথেষ্টই সন্তোষজনক।
------------------------------------------------------------------------------

মিরাজ আরো বলেছেন : তবে এটা নিশ্চিতভাবেই ফ্রি কোন কিছু বোঝাবার জন্য খুব আদর্শ উদাহরণ নয় বিশেষ করে 'মা' এর ব্যাপারটা যেহেতু সেনসিটিভ এবং চাইলে এই ধরনের একটা কমেন্টকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ আছে। আমার মতে এই ধরণের উদাহরণ না দেওয়াই উচিত।

তবে সেই কমেন্টের ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেবার পরেও আপনারা যা করছেন তাকেও সাধুবাদ জানাতে পারছিনা । মন্তব্যটি অনভিপ্রেত হতে পারে কিন্তু এটি অশ্লীল নয়, এটাকে অশ্লীলতার সাথে ইচ্ছা করে গুলিয়ে ফেলার অর্থ হয়না ।

---------------------------------
স্নোবল খন্ডিত কমেন্ট দিবেননা । অর্ধসত্য মিথ্যার চেয়েও খারাপ । আর আমাকে নিয়ে আপনার কনফিউশন দুর হওয়াতে খুশী হলাম ।


বাদবাকীদের বলছি (যারা মিরাজকে প্রশ্ন করছেন) : মিরাজ তার মত তার চিন্তভাবনা অনুযায়ী বলে এবং সত্য কথা বলতে ভয় পায় না।

এখানে যা বলার আমি বলেছি এবং এর বাইরে আর কোন কথা বলাটা আমি প্রয়োজন মনে করিনা ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৪ জেনারেল বলেছেন: মিরাজ @ মন্তব্যটি অনভিপ্রেত এইটা তো মাহবুব মুর্শেদ বলছে না। আপনি বুঝছেন কি করে।

আপনি আরো সোজা করে উত্তর দেন। ফ্রি বিষয়ে এস্কিমোর তর্কের সঙ্গে তার মা-কে জড়ানো কোন ধরনের চিন্তাভাবনা।

আপনি যদি এটাকে সমর্থন করে তাহলে ভবিষ্যতে কোন তর্কের খাতিরে আমি যদি আপনাকে মা-কে টেনে আনি, আপনি সমর্থন দেবেন তো?


১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৪ অপু বলেছেন: এইনা হেল সুশিল? মাশাল্লাহ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৪ মুকুল বলেছেন: মিরাজ ভাই, আপনার গালির বিপক্ষে অবস্থান যদি এই হয়, তাহলে আপনাকে বড় একটা "না বললাম।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৫ মিরাজ বলেছেন: @ জেনারেল, আমি মন্তব্যের ব্যাপারে আমার অবস্থান আগেও বলেছি ।

তবে এটা নিশ্চিতভাবেই ফ্রি কোন কিছু বোঝাবার জন্য খুব আদর্শ উদাহরণ নয় বিশেষ করে 'মা' এর ব্যাপারটা যেহেতু সেনসিটিভ এবং চাইলে এই ধরনের একটা কমেন্টকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ আছে। আমার মতে এই ধরণের উদাহরণ না দেওয়াই উচিত।

আর মন্তব্যটি আমার কাছে অনভিপ্রেত । মাহবুব ভাই এর অবস্থান তার কাছ থেকেই জানুন ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৮ বহুরূপী মহাজন বলেছেন: ছিঃ.................! থুহ........ !!!

সুশীল....!!!!!!!!!!!!............স্টিকি = স্টিংকি ব্লগার
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫০ গুড ফর নাথিং বলেছেন: মাইনাস । "মা" নিয়ে এমন কথা বলার জন্য উনার এই পোস্টটাকে স্টিকি করা হোক । ভন্ডদের মুখোখ উম্মোচন হচ্ছে ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৩ হট্টগোল বলেছেন:

মিরাজ @ মন্তব্যটি অনভিপ্রেত হতে পারে কিন্তু এটি অশ্লীল নয়
---------------------
কেমনে না। ফ্রি বিষয়ক তর্কে মা সংক্রান্ত বিষয়টা মাথায় কেমনে আসে। অশ্লীলতা মাথায় খেললেই তবে এরকম কমেন্ট করা যায়। আর আপনি তারে সাপোর্ট দিতাছেন। ডাইরেক্টলি কইতে পারলেন না যে, মামো তোমার এই তুলনা আমার খারাপ লাগছে।''

জামাতীগো মতো প‌্যাচাইলেন। দয়া কইরা আপনে শিক্ষকতা ছাইড়া দেন। অনেকগুলা পোলাপান নষ্ট হইয়া যাইব।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৪ সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

পুঁজির বিকাশের পেছনে ছুটছে সবাই। বইমেলা আর এ থেকে বাদ পড়বে কেন?
মনন মেধা চর্চায় এখন মেকিত্ব বেশি। বৈষয়িকতা খেয়ে ফেলছে সব কিছু। টিকিট সিস্টেম করলে বই বিক্রিও কম হবে।
ভলো পোস্ট। জানা হলো অনেক কিছু।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৫ মনিটর বলেছেন: ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান স্যারের টেবিল মুছে, স্যারের বৌয়ের বাজার করে দিয়ে, স্যারের ছেলেকে পিঠে তুলে গরু-গাধা খেলে যারা টিচার হয় তাদের মেরুদন্ড কিংবা নৈতিক অবস্থান বলে কিছু থাকে না। এরা বরাবরই সুবিধাবাদী, সুযোগ সন্ধানী, চতুর হয়।

মিরাজ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পোস্ট দেয়, কিন্তু ওর স্পষ্ট কোন অবস্থান নাই। সে ব্লগের ছুপা রাজাকারদের প্রশ্রয় দেয়, লালন করে।

আর এখানে যেইটা হৈছে - তা হৈল সে মাঝামাঝি পথ নিতে গেছে। কারো মা'কে কিভাবে সম্মান করে কথা বলতে হয় সেই বিবেচনা বোধ তার নাই। তার প্রিয় মাহবুব ভাইয়ের মন রক্ষা করতে হবে। তাই ডাইনে বামে দিকেই গেছে।

মিরাজের মতো দুমুখো সুশীলের জন্য করুণা।


১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৭ এস্কিমো বলেছেন: সারোয়ার,

ঠিক আছে। এর চাইতে বশী কিছু আশা করিনি।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৬ রাশেদ বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিকভাবে এস্কিমোর মাকে টেনে এনে নোংরা উক্তি করার প্রতিবাদ জানাচ্ছি । এইসাথে মিরাজের নির্লজ্জ সমর্থনকেও ঘৃনা জানালাম।

সুশীলদের মাথা গরম হয়ে গেছে, কান লাল হয়ে আছে লজ্জার চোটে, স্টিকি বল্গার এর দাম না থাকায় আর আরেকজন স্টিকি বল্গার হবার খায়েসে প[নি পইড়া গেছে যে তাই!!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৬ কালপুরুষ বলেছেন: মা. মোর্শেদ,

আপনার পোষ্ট পড়লাম সাথে এই পোষ্টের মন্তব্য এবং পাল্টা মন্তব্য। আমি তর্ক বা বিতর্কে যেতে চাইনা। তবে ব্লগার "এস্কিমো"-র মন্তব্যের বিপরীতে তাকে পাল্টা যে মন্তব্যটি করেছেন তা আমার কাছে মোটেও শোভন মনে হয়নি বরং তা তাকে হেয় বা লাঞ্ছিত করার জন্যই করেছেন বলে অনুমেয়। পৃথিবীর কোন সার্ভিসই ফ্রী নয়, ফ্রী হওয়া ভাল নয়- এমন যুক্তির কাছে মায়ের সন্তান উৎপাদন ও লালনের তুলনা করা নিতান্তই অমূলক। একজন বন্ধ্যা নারীর মনের কষ্ট জানলে বুঝতেন, একজন সন্তানহীন দম্পতির সন্তান পাবার আকুলতা এবং তার পেছনে পীর-ফকির-আউলিয়া-দরবেশ থেকে শুরু করে কত ডাক্তার-কবিরাজ-হেকিম-বৈদ্য এমন কী "টেষ্ট-টিউব বেবী" পর্যন্ত নেবার চেষ্টা করে যায় এবং তা করতে অনেক খরচ হয়। সুতরাং সন্তান উৎপাদনে ফ্রী সার্ভিস বলে কিছু নেই। আর মায়ের আদর যত্ন ভালবাসাকে ফ্রী সার্ভিস বলছেন? কোন ভিত্তিতে? একজন মায়ের কাছে সন্তানের "মা" ডাক কোটি টাকার চেয়েও মূল্যবান। আপনার মাকে যদি রাস্তার কোন ছেলে "মা" বলে ডাকে তবে সহানুভূতি হবে হয়তো- কিন্তু আপনাকে যেমন আদর-যত্ন করে মানুষ করেছেন তেমনটা করবেন কী? তাহলে সার্ভিস ফ্রী হলো কোথা থেকে? পৃথিবীর সবচাই মূল্যবান যে সম্পদ তা হলো ভালবাসা- সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা, সেটা কী এতোই সস্তা? যেখানে সেখানে কী তা কুড়িয়ে পাএয়া যায়? নাকি চাইলেই পাওয়া যাবে? এক পতিতাও তার সন্তানের জন্য রুজি-রুটি-কামাইয়ের পথ থেকে সরে আসে- তা কী এতই মূল্যহীন? আর এই সম্পর্কে যারা অর্থের গন্ধ খোঁজে তার জীবনটাই অর্থহীন।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩১ নরাধম বলেছেন: কালপুরুষদা, আপনার কমেন্টে বিপ্লব।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৪ মাথামোটা বলেছেন:
"মা" মানে যে বোঝে না তার জন্য করুনা।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৯ মদনবাবু বলেছেন:
যারা মা কে ফ্রী সার্ভিস দেয়ার মত পন্য রূপে মন্তব্যের খাতিরে টেনে আনেন তাদের জন্য শ্রেফ করুনা ।

পারলে নিজের মা কে গিয়ে বলবেন আজকে আপনি তাকে পন্যের সাথে তুলনা করে এসেছেন । দেখবেন তিনি তার জবাবে কি বলেন ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৫ শাহেদুর রহমান বলেছেন: মাকে যারা সম্মান করে কথা বলতে পারেনা তাদেরকে ধিক্কার জানাই।

Sunday, January 13, 2008

ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব

অপরাজেয় সংঘাত

সামহয়ারের আর কারো হয়তো জানতে বাকী নেই। এমন একজনও হয়তো মিলবে না যিনি হঠাৎ করে লগ ইন করে একদম অবাক হয়ে যাবেন। নিজের মনেই বলে উঠবেন, হায় এ কী! আমার ধারণা, যাদের বলার সবাই বলে ফেলেছেন। যাদের পক্ষ নেবার সবাই পক্ষ নিয়ে ফেলেছেন। কেউ নিজে থেকে পোস্ট দিয়েছেন। কেউ অন্যের পোস্টে গিয়ে মন্তব্য করে নিজের ঐক্যমত বা দ্বিমত জানিয়ে এসেছেন। সব মিলিয়ে, সবার মত গ্রন্থিত করে একজোট করলে হয়তো একটা মহাকাব্য হয়ে যাবে। কিন্তু যা হয়েছে, সমস্যা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে তা যেন সমাধানহীন। যেন এক পরিত্রাণহীন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছি আমরা। আমরা আপাতত ব্লগার, কিন্তু আগামী দিনের তরুণ চিন্তক, নাগরিক, অ্যাক্টিভিস্ট, সাধারণ মানুষ। এই তরুণদের নানা অংশের মধ্যে চলছে বিরামহীন ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া। জয় ও পরাজয়ের মহড়া। আন্দোলন সংগ্রাম। এবং অবশ্যই সংঘর্ষ। আমাদের এই বাংলাদেশে ফেরেশতা অথবা শয়তান যেই ক্ষমতা নিক, মাইনাস টু থেকে শুরু করে মাইনাস মিলিয়ন যাই করুক এই সংঘর্ষ যেন অপরাজেয়। ব্লগের যুদ্ধক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের সংঘর্ষ, সংঘাত তথা মতাদর্শিক লড়াই দেখে আপাতত তাই মনে হলো।

আদার কালার্স

বাংলাদেশে যেমন সারা পৃথিবীতে তেমনি কেবলই দুইটা রঙ চোখে পড়ে। শাদা আর কালো। ব্লগেও তেমনি দুইটা রঙই চোখে পড়ে শাদা আর কালো। আমি প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত বলে আসছি। মাঝে আরও সাতটি রঙ আছে। শুধু শাদা আর কালো ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো রঙ নাই একথা মিথ্যা। কিন্তু কোনো দলই এটা মেনে নিতে প্রস্তুত নন। এই দুই দল সমস্ত রঙকে পরাজিত করে পৃথিবী শাসন করার এই বিধ্বংসী খেলায় মেতেছে। হয় জর্জ বুশের দল, নয়তো লাদেনের দল। হয় আক্রমণকারী নয়তো আক্রন্ত। কোন দলে আপনি? তাড়াতাড়ি জবাব দিন, নইলে এখনি আপনার ওপর হামলা করবে ইসলামপন্থীরা অথবা ওয়ার অন টেররের সৈনিকরা।

ব্লগেও এমন পরিস্থিতির চাপ। শাদা আর কালো দুইটা পক্ষ। কোন দিকে আপনি? তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিন। নইলে আপনার ভাগ্যে তকমা জুটবে এখনি। হয় আপনি রাজাকার নইলে মুরতাদ। আপনার বিরুদ্ধে মিছিল নামবে হয় বায়তুল মোকাররম থেকে নয়তো সুধাসদন থেকে।
অনেক লেখালেখির পর অনেক কথা খরচের পর এখন সবাই মানতে রাজি হয়েছেন শাদা ও কালোর বাইরে অন্য রঙ আছে। ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধারা নিন্দা করে তাদের নাম দিয়েছেন সুশীল। সুশীল তো এখন প্রবলভাবে সমালোচিত একটা গোষ্ঠী। যারা আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামাতের বাইরে এদেশে তৃতীয় কণ্ঠস্বরের দাবিদার। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জানা গেল তারা হলেন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক/সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের উকিল। ফলে সুশীল এখন বড় সমালোচিত শব্দ।

তকমা দেয়া যাদের কাজ তারা চান্স পেলে তকমা দিয়ে যাবেন, সে তকমা দিয়ে কিছু বোঝা যাক বা না যাক। কিন্তু, এই তকমা নেগেটিভলি দিলেও একটা ব্যাপার কিন্তু তারা মেনে নিয়েছেন যে, ব্লগে তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি মত আছে বা থাকতে পারে। যে মতগুলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে কিন্তু অনৈতিক উপায়ে গালিবাজী করে কোনো ফায়দা লোটার উদ্দেশে তাকে প্রতিষ্ঠিত না করে যুক্তি, বুদ্ধি ও সহনশীল পদ্ধতি অবলম্বনের পক্ষপাতি। ইসলামকে স্রেফ জঙ্গিবাদের সঙ্গে, ইসলামী মতাদর্শকে স্রেফ পাকিস্তানপন্থী, এন্টি সেভেনটিওয়ান হিসেবে দেখার যেমন একচোখা নীতি আছে। তেমনি ইসলামের মধ্যেও অন্য মত আছে। যে মত, যে কাউকে যে কোনো প্রকারে মুরতাদ ঘোষণা করে না, মাথার দাম ঘোষণা করে না, দেশ ছাড়া করে না। সমালোচনাকারীকে বেঈমান বলে তার বিরুদ্ধে গজারির লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে পড়ে না। রাজনৈতিক ফায়দা লুটে ইসলামকে কলুষিত করে না।

১৯৭১ বাংলাদেশের মানুষের জন্য অপূর্ব এক সুযোগ এনে দিয়েছিল। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠী নিজেদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির লক্ষে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাদের সঙ্গে অন্য সব মতবাদ ধর্ম বর্ণের মানুষ ছিল। কিন্তু নেতৃত্বে ছিল এই মুসলমানরাই। উপমহাদেশে এই একমাত্র জাতিরাষ্ট্র যারা মালিক মূলত বাঙালি মুসলমান। কিন্তু ১৯৭১-এর সুযোগ আমরা নেইনি। একাত্তরের পরাজিত শক্তি তাই ইসলামকে ব্যবহার করে নিয়মিত আমাদের ওপর আঘাত হেনেছে। আমাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তিকে সুদূর পরাহত করে রেখেছে।

আমাদের সমাজ আজ নানামুখি সংঘর্ষে এক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত। এ যুদ্ধ কখনো মুখোমুখি কখনো আড়ালে আবডালে চলছে।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামাতের। শিক্ষার্থীর সঙ্গে সেনাবাহিনী। নাগরিকদের সঙ্গে শাসকের। নাস্তিকের সঙ্গে আস্তিকের। যুক্তির সঙ্গে বিশ্বাসের। ধর্মের সঙ্গে বাস্তবতার। জ্ঞানীর সঙ্গে মূর্খের সংঘাত লেগে আছে। এদেশে পাকিস্তানপন্থী আছে। ভারতপন্থী, চীন পন্থী, রুশপন্থী, আমেরিকা পন্থী এমনকি মালয়েশিয়া পন্থীও পাওয়া যাবে কিন্তু বাংলাদেশ পন্থী মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। একাত্তরের পর বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখার জন্য বড় কোনো সংগ্রাম হয়নি। বড় কোনো উদ্যোগ আসেনি। ফলে, নাগরিকের দেশপ্রেমবিহীন এক ভবিতব্য নিয়ে দেশটি থমকে আছে। এখানে প্রগতিশীলরা নৈরাজ্যবাদী। ধর্মপন্থীরা জঙ্গি। কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। একদল চায় আরেক দল দেশ ছেড়ে চলে যাক। বহিষ্কার হোক। কোনো আপোষরফা নেই। দুটো দলই এমন এমন সব পদ্ধতি অবলম্বন করে যার অধিকাংশই ফ্যাসিস্টরা অবলম্বন করেছিল। কিন্তু আমরা বলতে চাই, দেশ ছেড়ে বা ব্লগ ছেড়ে চলে যাওয়া বা বহিষ্কার করার বাইরেও পথ আছে। গণতান্ত্রিক উপায়ে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পরস্পরের কঠোর সমালোচনা করেও এদেশে থাকা সম্ভব। এমনকি ব্লগেও থাকা সম্ভব।

আমাদের দায়

সামহয়ারের বর্তমান সংকটে আমাদের দায় কতটুকু? যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কায়েম করার কথা বলে যাকে তাকে রাজাকার বলে এক ধরনের নৈরাজ্য তৈরি করে নিজেদের ব্লগীয় ফায়দা লুটতে চেয়েছেন এবং তা করতে গিয়ে অন্যায় পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমরা বলেছি, এ পদ্ধতিতে ব্লগটিকেই শুধু ধ্বংস করে দেবার চেষ্টা হচ্ছে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা স্বপক্ষের বলে মনে করে ভুল বলিনি। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে এবং অব্যাহতভাবে পিকেটিং চালিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী সবাইকে ব্লগ থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। লক্ষ্য, কতিপয় মুক্তিযুদ্ধপন্থী গুণ্ডার অন্যায় কাজকে বৈধতা দান করা। কিছু ব্যান এক্ষেত্রে আগুনে ঘি ঢেলেছে। এই সুযোগে সামহয়ারে সংখ্যাগত আধিপত্য কায়েম করেছে তথাকথিত ইসলামপন্থীরা। এদের অনেকে ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সমালোচনা করেছেন। কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধকেও সমালোচনা করেছেন। কেউ কেউ প্রকাশ্যে একাত্তরের রাজাকার আল-বদরের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। কেউ বায়তুল মোকারম থেকে মিছিল নামানোর হুমকি দিয়েছেন। কেউ সহব্লগারকে মুরতাদ ঘোষণা করেছেন। এখন আপাত অর্থে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী ব্লগারেদের অনুপস্থিতিতে এরা আমাদের ছালাম দিয়ে যাচ্ছেন। আরেক রাজনেতিক ফায়দা লোটার উৎসবে নেমেছেন।

আমার কথা পরিষ্কার। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষ শক্তির ছালাম চাই না। আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির গালিও শুনতে চাই না। আমরা আওয়ামী টীমের পিকেটিং চাই না। আবার ছাত্র শিবিরের দাওয়াতও চাই না। আমরা একটা সুস্থ, সুন্দর, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে, প্রাইভেসি ও নিরাপত্তা আছে এরকম একটা ব্লগ চাই। সেখানে ক্রিয়েটিভ চিন্তা ও সৃষ্টি প্রকাশ করতে চাই। ব্যস। যারা মতাদর্শ কায়েমের স্বপ্নে বিভোর তারাও থাকবেন। কিন্তু তারা যেন অন্যায় কোনো পদ্ধতি বেছে না নেন।

আমরা চাই না, এ ব্লগে যুক্তি দিতে গিয়ে কেউ ধর্মের অবমাননা করুক। আবার কেউ ধর্মের অবমাননা করার আগেই তাকে মুরতাদ ঘোষণা করুক কেউ। কেউ মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার জন্য বিতর্কিত কিছু বলুক। আবার কেউ মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা করলেও তাকে রাজাকার খেতাব দেয়া হোক।

মতাদর্শ কায়েমের ফ্যাসিস্ট পদ্ধতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতেই হবে। এজন্য শাদা ও কালোর বাইরের অন্য রঙগুলোতে আলো ফেলতে হবে। এ জন্য সুস্থ-সুন্দর চর্চা যারা চান তাদের সক্রিয় হতেই হবে।
--------------------------------------------------------------------------------

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৬ আবূসামীহা বলেছেন: "আমরা চাই না, এ ব্লগে যুক্তি দিতে গিয়ে কেউ ধর্মের অবমাননা করুক। আবার কেউ ধর্মের অবমাননা করার আগেই তাকে মুরতাদ ঘোষণা করুক কেউ। কেউ মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার জন্য বিতর্কিত কিছু বলুক। আবার কেউ মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা করলেও তাকে রাজাকার খেতাব দেয়া হোক।"
===============================

ভাল বলেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

কারেকশন: সাদা ও কালো কোনটাই কোন রঙ না।
চাইলে হাজার খানেক রেফারেন্স দেওয়া যেতে পারে।
লেখক বলেছেন: আপনার এই জ্ঞান আপাতত এখানে অপ্রয়োজনীয়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৯ রোকন বলেছেন: " মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা"-টা কেমন? একটু খোলাসা করেন।
লেখক বলেছেন: এই একটা বাক্যই পাইলেন?
আমার প্রশ্নে উত্তর দেন : ধর্মের গঠনমূলক সমালোচনা করা সম্ভব? ধর্মকে অবমাননা না করে?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪২ এম.এ.হামিদ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা করলেও তাকে রাজাকার খেতাব দেয়া হোক।

Am I allowed to discuss constructively why Mahbub Morshed is a bastard?
লেখক বলেছেন: এই একটা কাজই তো করতে পারেন আপনে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৫ কবিতা বালিকা বলেছেন: আপনার প্রতিটা লিখুনিই চমৎকার। অনেক খাঁটি কথা তুলে এনেছেন। তবুও এদের হুঁশ হবে বলে মনে হয়না। ব্লগটাকে বন্ধ করার চক্রান্ত চলছে, প্লীজ এটা হতে দেবেননা। ব্লগে এসে আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। কিন্তু শিক্ষিত মানুষদের মুখ থেকে গালি যখন শুনি তখন নিজের উপর ঘেন্না ধরে যায়, মনে হয় মানুষেরা এত নীচ কেন।

যখন দেখি আমার প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) কে গালি দিয়ে পোষ্ট দেয়া হয় তখন খুব কষ্ট হয়। এটাকি আমাদের কাম্য ছিল? কেন রাজাকার আর ধর্মপ্রানকে একসাথে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে? কেন সবাই একটু সহনশীলতা দেখাতে পারছেনা?
লেখক বলেছেন: এতদিন জানতাম ইসলাম হলো ধর্ম।
এখন দেখছি মুক্তিযুদ্ধ আরও বড় ধর্মে পরিণত হয়েছে।
ধন্যবাদ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৬ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
প্রথম পাতায় এখন সুন্দরের চরচা হচ্চে।
লেখক বলেছেন: গালি চলছে না আর?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৮ কবিতা বালিকা বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ সাহেব দেখুন, এম এ হামিদ = আইজুদ্দিন আপনাকেও গালি দিল !! অবাক লাগে এদের আচরণ!!

আর রোকন নামের ঐ লোকটা, ফজলে এলাহি নামের একজন ব্লগারের ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট থেকে ছবি চুরি করে নিয়ে এসে নিজের প্রোফাইলে লাগিয়ে ঘুরছে! কারও কি কিছুই বলার নেই? কর্তৃপক্ষ কেন ব্যাবস্থা নিতে এত দেরী করে সবসময়?
লেখক বলেছেন: এই দুইজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষা করছে এখন?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫১ রোকন বলেছেন: " মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা"-টা কেমন? একটু খোলাসা করেন।
লেখক বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধারা তো দেখি ইসলামপন্থীদের চেয়ে অসহনশীল হয়ে পড়েছে। বাহ!

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫১ মুনশী বলেছেন: ভালা মাইনসের পুত মাহবুব মিয়া, পেলাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৬ রোকন বলেছেন: আমি কোন ধর্মকে বিশ্বাস করি না। কাজেই ধর্মের কথা আমার থেকে না জানতে চাওয়াই ভাল।
লেখক বলেছেন: আপনি তো মুক্তিযুদ্ধকে ধর্ম বানিয়ে ফেলেছেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৯ রোকন বলেছেন: আপনে পাগলের গু পারায়ছেন। কেমনে বুঝলেন মুক্তিযুদ্ধকে ধর্ম বানিয়েছি? ফালতু বকবাজ করেন কেন?
লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে আপনে ধর্মেরও উর্ধে নিয়া গেছেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০১ নগর বাউল বলেছেন: চলমান রাজাকারমুক্ত ব্লগ আন্দোলনঃ আমার দুটি দাবি
লেখক বলেছেন: হ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৫ রোকন বলেছেন: হা হা, আমি আগেই বলেছি ধর্মকে আমি বিশ্বাস করি না, কাজেই আমার কাছে ধর্মের কোন স্থান নেই। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ ঠিক মুক্তিযুদ্ধের স্থানেই আছে। ধর্মের আগে বা পরে থাকার কোন ব্যাপার নেই।

এইবার বলেন আপনার এই বোধদয় কেমতে হল?
লেখক বলেছেন: কাইলকা বলবো।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৪ শীমুলতা বলেছেন: ভাইজান আমি একটা কিশোর ছেলেই বলা চলে। প্রথম প্রথম ব্লগে এসে আমি দেখলাম একটা শক্তিশালী দল অন্য আরেকটা দূর্বল দলকে আঘাত হানবার ছেষ্টা করছেএবং বলছে ওরা রাজাকার। শক্তিশালী দলে কিছু শক্তিশালী সাংবাদিকও ছিল। আমি ভেবেছিলাম যেহেতু, ওরা এত স্বাধীনতার কথা বলছেন নিশ্চই ওরাই ভাল। তাই ওদের পক্ষ নিয়ে আমিও দূর্বল দলের অনেককে আজেবাজে কথা বলেছি কিন্তু গালি দেইনি কোনোদিন কাউকে। বলেছি রাজাকার। একদিন এক ব্লগার আমার কাছে ই-মেইল করে বলল, কোনো ধর্মীয় পোষ্ট দেখলেই যেন ১ দেই এবং আরও অন্য কিছু ব্লগারের নাম লিখে বলল যেন তাদের পোষ্টে এক দেই এবং তাদেরকে সারক্ষন খোঁচার উপড়ে রাখি। তাহলে ওরা আমার পোষ্ট টপরেটে উঠাবে। পরে আমি অনেক ভেবে চিন্তে দেখলাম যে , কতটা জঘন্য মানসিকতার হলে তারা এই কাজগুলো করতে পারে এবং ইসলামের বিরুদ্ধে এমন কটু কথা বলতে পারে। আমি তার ঐ মেইলের কোনো জবাব আজ পর্যন্ত দেইনি।উল্ল্যেখ্য,নিজেকে সে এক স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির ব্লগার বলেছে। অনেক ভাবনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমি ওদের কথা মত চলবনা এবং এরপর পরই তারা আমাকে রাজাকার উপাধীতে ভূষিত করে। এখন বলুন ভাইজান, সাধারণ পাব্লিক কিভাবে ওদের কাছে জিম্মী হয়ে আছে।তাই আমার মতে যারা গালিবাজি এবং ফ্লাডিং করার জন্য ব্যান হয়েছেন তাদের কাছ থেকে লিখিত নিয়ে ব্লগে ফেরত আনা হোক। স্বাধীনতাবিরোধী পোষ্ট কিন্তু সাধারণ ব্লগারেরা খুঁজে পাচ্ছেননা এবং যারা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তারাও স্পেসিফিকলি দেখাতে পারছেননা কোনটা দেশবিরোধী পোষ্ট। আমাদের মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে গন্ডগোল সৃষ্টি করার জন্যই এসব করা হচ্ছে।

এই পোষ্ট টাকে স্টিকি করার দাবী জানাই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৪ ফাহমিদুল হক বলেছেন: মাহবুব, ব্লগে আপনার অবস্থান নিয়ে অনেক ব্লগারের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আপনার অবস্থান আমার কাছে অস্পষ্ট নয়। কিন্তু কয়েকটি কারণে, যেসব ব্লগার ক'দিন আগেও আপনার ওপর আস্থাবান ছিল, তারা আপনাকে এখন সন্দেহের চোখে দেখছে:
১. আপনার প্রাইভেসি সিকিউরিটি সংক্রান্ত পোস্টের পরেই কর্তৃপক্ষের নোটিশ এবং কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ। সেজন্য আপনার ভয়েসকে অনেকে কর্তৃপক্ষের ভয়েস মনে করছে।
২. কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিতে গিয়ে কয়েকজন ভালো ব্লগারকে ব্যান করেছে, যেটা পরিস্থিতিকে সবচেয়ে খারাপ জায়গায় নিয়ে গিয়েছে।
৩. চিহ্নিত চরম দক্ষিণপন্থী ব্লগাররা আপনার সাম্প্রতিক পোস্টগুলোতে দ্রুত এসে নির্বিচারে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এটাও সন্দেহ তৈরি করছে।
৪. আপনার কোনো কোনা বক্তব্য মাঝে মাঝে অস্পষ্ট থেকেছে। (মোটের ওপরে বললাম, রেফারেন্স চাইয়েন না)

দেশবিরোধীদের আমি চরম ঘৃণা করি, অতি রক্ষণশীলদের আমি অপছন্দ করি। ধর্মের বিষয়ে আমার আগ্রহ আছে, (পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতিতে এই আগ্রহ বেড়েছে) কিন্তু একচোখা ধার্মিকদের কথাবার্তায় আমার অরুচি আছে।

কর্তৃপক্ষ কেন এখনও ভালো ব্লগারদের (তারা যতই গালি দিক) আনব্যান করছে না সেটা একটা বিস্ময়। দেশবিরোধী কথা বলবেননা, গালি দিবেন না -- এই দুইটি বিষয় নিশ্চিত করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ সব লেজেগোবরে করে ফেলেছে।

আপাতত আনব্যান করে এবং কিছু আহ্বান জানিয়ে এর সমাধান হতে পারে। কিন্তু আপনার মতো আমিও মনে করি, ঐ দুইটা জিনিস গ্রহণীয় নয়। গালিতে আমার আপত্তি নাই, গালিসর্বস্বতায় আছে। আর মুক্তিযুদ্ধকে, জাতিসত্তাকে হেয় যে করে তার তো দেশে থাকারই অধিকার নেই।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৩ ফাহমিদুল হক বলেছেন: আমি স্বাভাবিকভাবে ব্লগিং করতে চাই। জানি আপনিও চান। বিদ্যমান সঙ্কটের কী সমাধান হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? আগের একটি পোস্টে সমাধানের বিষয়ে আমি হতাশা ব্যক্ত করেছিলাম। আপনি আশাবাদী ছিলেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫ রোকন বলেছেন: আজকে তাহলে আপনি আর কোন আলোচনা করছেন না?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৯ মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: "কিছু ব্যান এক্ষেত্রে আগুনে ঘি ঢেলেছে। এই সুযোগে সামহয়ারে সংখ্যাগত আধিপত্য কায়েম করেছে তথাকথিত ইসলামপন্থীরা। এদের অনেকে ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সমালোচনা করেছেন। কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধকেও সমালোচনা করেছেন। কেউ কেউ প্রকাশ্যে একাত্তরের রাজাকার আল-বদরের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। কেউ বায়তুল মোকারম থেকে মিছিল নামানোর হুমকি দিয়েছেন। কেউ সহব্লগারকে মুরতাদ ঘোষণা করেছেন। এখন আপাত অর্থে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী ব্লগারেদের অনুপস্থিতিতে এরা আমাদের ছালাম দিয়ে যাচ্ছেন। আরেক রাজনেতিক ফায়দা লোটার উৎসবে নেমেছেন।আমার কথা পরিষ্কার। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষ শক্তির ছালাম চাই না। আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির গালিও শুনতে চাই না।"

১০০ পার্সেন্ট সহমত,
এদের সালাম চাই না,এবং এদের উপস্থতিই একধরনের বিরক্তি সৃস্টি করছে সবার মনে।আর কিছুদিন পর দেখবো এখানে আজান বাজছে,এবং মিলাদের আহবান করা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাপন্থীদের ব্যান করার কারণে!

আসলে ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাপন্হীদের চাইতে কুটচালে বেশী পারদর্শী এই মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা।ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাপন্হীরা যখন উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ করেন তখন তারা নিরব থাকে এবং পরে তার ব্যান দাবী করে উদাহরণ সহ পোস্ট দেয়।আমার মনে হয় মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা দীর্ঘ কোন সময়ের প্ল্যান নিয়ে টেস্ট স্টাইলে খেলছে....লালসবুজ দল সেখানে বেধরক পিটিয়ে খেলতে গিয়ে অনেক উইকেট হারিয়ে ফেলেছে,একটু তাদের সাবধানী হয়ে খেলা উচিত।

লেখাটা ভাল হইছে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৭ হট্টগোল বলেছেন:

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কায়েম করার কথা বলে যাকে তাকে রাজাকার বলে এক ধরনের নৈরাজ্য তৈরি করে নিজেদের ব্লগীয় ফায়দা লুটতে চেয়েছেন--------------মা.মো

------------------------------

এই 'ব্লগীয় ফায়দা' জিনিসটা কি?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৫ কানার বাজার বলেছেন: @মাহবুব --> আমার কেন যেন মনে হচ্ছে আপনি ব্যাপার গুলো কে গুলিয়ে ফেলছেন। সেটা কি মধ্যস্থতা করার জন্য? একটা জিনিস মনে হয় ক্লিয়ার হওয়া দরকার। মধ্যম্পন্থা জিনিস্টা উপকারী তবে যখন বাকি প্রান্ত গুলো কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু প্রকৃতিগত ভাবে দুই মেরু তে থাকা দুইটা আইডিয়ার মাঝে আর যাই হোক মধ্যস্থতা হতে পারেনা। এদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটবেই। এটাই ভবিতব্য। এবং এখানে যেটা হবে সেটা কে আপনি সারভাইভাল অফ দ্যা ফিটেষ্ট বলতে পারবেন না। এটা হবে 'সারভাইভাল অফ দ্যা পপুলারলি ডিসারভিং'। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। আপনি ডিফার করতে পারেন। I don't mind.

@ফাহমিদ --> আপনার বক্তব্য আমার কাছে অনেক বেশি বিবেচনা প্রসূত মনে হয়েছে। ধন্যবাদ।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯ উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "কর্তৃপক্ষ কেন এখনও ভালো ব্লগারদের (তারা যতই গালি দিক) আনব্যান করছে না সেটা একটা বিস্ময়"

ফাহমিদুল হক, আপনার লেখার মান অসাধারন - এটা যে কেউ স্বীকার করবে। কিন্তু গালিবাজরা কি করে ভাল ব্লগার হয়? এই কয়দিন গালি পাই নি, এর চেয়ে শান্তির কি আছে? আনব্যান হয়ত হবে। এটাই আমার বিশ্বাস। কতৃপক্ষ একটা লিমিটেড সময়ের জন্য ব্যান করে রাখে। অতীতে তাই দেখেছি। কিন্তু গালির সেই পরিবেশে ফিরে যেতে চাই না।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯ শয়তান বলেছেন: @মুয়ীয মাহফুজ আপনি সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এখন এই চরম সত্যটা সহ অনাগত ভবিষ্যত টা বুঝুক সবাই ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯ পাখী বলেছেন: কাদের রাজাকার বা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী বলা হচ্ছে মুয়ীজ মাহফুজ ভাইয়া? ইসলাম ধর্ম নিয়ে কোনো কথা লিখলেই রাজাকার হয়ে যায়না। এই ধরনের মনোভাব বাদ দিন দয়া করে । এখানে দেশবিরোধী কোন পোষ্ট আপনার চোখে পড়েছে একটু বলবেন কি?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫২ শয়তান বলেছেন: ফাহমিদুল হক এর মন্তব্যে সম্পুর্ন সহমত

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৩ পাখী বলেছেন: ফাহমিদ:
গালিবাজরা কি করে ভাল ব্লগার হন? এতদিন কেন আমি ব্লগে আসিনি জানতে চান? গালির জন্য। আপনি সেই গালিবাজদের সাপোর্ট করে যাচ্ছেন? ছিঃ ছিঃ ছিঃ, এই আপনার শিক্ষা? আপনাদের কাছ থেক অনেক কিছু শেখার ছিল আমাদের। কিন্তু এখন আর নয়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৩ কালিদাস পন্ডিত বলেছেন: "মুক্তিযুদ্ধের সমালোচনা" বিষয়টি আপত্তিকর মনে হইতেছে, মুক্তিযুদ্ধের গঠনমুলক বা অগঠনমুলক কোনপ্রকার সমালোচনা থাকিতেই পারেনা। "মুক্তিযুদ্ধের সমালোচনা"কারীদের পশ্চাৎদেশে পদাঘাতপুর্বক রাষ্ট্র হইতে বিতারন অতিআবশ্যক।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৭ মিরাজ বলেছেন: মাহবুব ভাই, চমৎকার লিখেছেন ।

দেশ এবং ব্লগীয় বাস্তবতা একসাথে তুলে এনেছেন ।

গালিবাজদের হাতে জিম্মী হয়ে থাকা আর নয় ।

আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ করতে হবে এবং সামহোয়্যারইনকে একটি পরিচ্ছন্ন প্ল্যাটফর্ম করতে হবে যেখানে স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত থাকবে এবং গালিগালাজ ও অশ্লীলতা মুক্ত থাকবে ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৯ মিরাজ বলেছেন: কিছু কিছু অংশের সাথে দ্বিমত আছে কিন্তু এখন সেই ব্যাপারগুলি বর্তমান বাস্তবতায় সামনে আনলাম না ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৯ মৃদুল মাহবুব বলেছেন: সমস্যাটা আরও গভীরতর দিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

"প্রগতিশীলরা নৈরাজ্যবাদী। ধর্মপন্থীরা জঙ্গি।" এর বাইরে বাংলাদেশবাদী কন্ঠের আওয়াজ শুনতে চাই। তবে সে গনকন্ঠে যেনো রাজাকার, ধর্ম পণ্ডিত বা মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ী, জামাতীরা না থাকে। ধর্ম নিরপেক্ষতা কি এতই কঠিন একটা বিষয় আমাদের জন্য?

আমি যুদ্ধাপরাধীসহ আমাদের বাংলাদেশ লুন্ঠনকারী মহান রাজনীতিবিগনেরও বিচার চাই। তারাও জামাতীদের থেকে কম কিছু না। আ.লীগ, বিএনপি, জামাত নিপাত যাক। মানবতা হোক বাংলাদেশের উদার বুক।

আপনার লেখাটা নানা আলোচনার সুযোগ তৈরি করলো। আশা রাখি গঠনমূলক আলোচনা হবে। আমাদের ব্লগারদের আবস্থান পরিস্কার হবে। ভালো ব্লগারদের সস্মান মুক্তি চাই।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩০ মিরাজ বলেছেন: "আবার কেউ মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা করলেও তাকে রাজাকার খেতাব দেয়া হোক।"

মাহবুব ভাই, এই একটি লাইন আপনার পুরো বক্তব্যকে অনেক দুর্বল করে দিচ্ছে । এই লাইনটা বাদ দেয়া যায় না?

মুক্তিযুদ্ধের গঠনমুলক সমালোচনা হয়না, হতে পারে মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে কাজে না লাগানোর ব্যাপারে গঠনমুলক আলোচনা ।

আমরা কেন মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলামনা দেশ গড়ার ক্ষেত্রে, সেই ক্ষেত্রে রাজনীতিকদের দায় কতটুকু, কতটুকু দায় আমাদের এগুলি আলোচনায় আসতে পারে কিন্তু আমার দৃষ্টিতে শুধু মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা হতে পারেনা ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪১ কালপুরুষ বলেছেন: জনাব মিরাজ, আপনার বক্তব্য সমর্থনযোগ্য। আমাদের "মুক্তিযুদ্ধ" সকল সমালোচনার ঊর্দ্ধে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোথাও কোন বিতর্কের কোন অবকাশ নেই এবং তা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৪ রোকন বলেছেন: কালপুরুষ ১০০% সত্য বলিয়াছেন, আপনার জন্য জাঝা

Thursday, December 13, 2007

সন্ধ্যাবাতি তোমার ভাল কিছু লেখা দেখতে চাই



ভাল বলতে আমি রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কিছু বুঝাচ্ছি না। এগুলো তুমি করো, তোমার স্বাধীনতা। আমি তোমার রাজনৈতিক মতকে ঘৃনা করি। কিন্তু তোমার লেখা পছন্দ করি। এই সব বিতর্কে তুমি আসলে কোন কিছু প্রমান করতে পারবে না, সংবেদনশীল বলে কিছু সময় পরে খেই হারিয়ে ফেলবে, তারপরে হতাশ হয়ে পালাবে। আমার মনে হয় সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে মানুষের এই বৈচিত্রময় মানসিক টানপোড়ণের চিত্রণ করা, যেটা তোমার হাতে বেশ আসে। তোমার অমন লেখাগুলোতে তুমি অনেক কিছুই নিয়ে আসতে পারো, লেখকরা তো স্বৈরাচারী হিটলার। প্লিজ রাইট সামথিং।

--------------------------------------------------------------------------------

বিহংগ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৩৯:৩৪
ভালো বলেছেন।

সংস্থাপক বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪০:২৩
রাজাকার পুনর্বাসন প্রকল্প।

ক্ষ্যাপা বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪১:৩৩
হায় কৌশিক হায়
তেলাপোকা ও টিকিয়া থাকে

কৌশিক আহমেদ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪২:৪৮
সংস্থাপক ও ক্ষ্যাপা ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলিয়ো না। তোমাদের দুজন দয়া করে আর মন্তব্য করো না।

অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪৩:৩৩
হায় কৌশিক হায়
তেলাপোকা ও টিকিয়া থাকে
আর কতো?

সাধারণ ব্লগারদের চোখ সন্ধ্যাবাতি অন্ধকার রূপ থেকে ফেরাতে চাও। গোলাম আজমও কবিতা লেখে।

জেনারেল বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪৩:৫৪
চোরের থালেত

সামী মিয়াদাদ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪৫:৩২
হুমমম....দাবীর সাথে গলা মেলাইলাম.....তার কিছু কিছু লেখা বেশ ভাল লেগেছে।

ক্ষ্যাপা বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪৭:৩৪
তুমি অফ যাও কৌশিক । বালছালের হাজার কবিতা লেখার চেয়ে গোলাম আজমের দালালদের বাস্তবে কিংবা ভার্চুয়ালী যেভাবে সম্ভব প্রতিরোধ করা জরুরী ।
অনেকদিন পরে যখন আস্তমেয়ের সাথে সে বিষয় নিয়ে তর্ক জমে উঠছে তখন তুমি আসছো তারে উদ্ধার করতে ।
হাহ তুমি ও সেইদিনের যুদ্ধে পুরানা কমরেড ছিলা । নিজের বিবেক এমনেই বিকি দিলা কৌশিক?

এই বিকি দিয়া তোমার কোন লাভই হইবোনা । আখেরে তুমি লুসার । ব্যবহৃত কণ্ডমের মতো তোমারে ছুঁইড়া ফালানো হইবো ।

আজকে শুনতে খারাপ লাগবো । মাগার মনে রাইখো ,অনেক দিন পরে আমার এই কথাটা তোমার মনে হইবো । তোমার ভালো বন্ধুই আছিলাম ।

অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪৯:০৮
বংশধরের কাছে কি গল্প করবা কৌশিক। ছেলে তার বাবার কোন দম্ভে গর্ব করবে।

আরে মিয়া রাস্তা পার হইতে গিয়াও তো মারা যাইতে পার (আল্লায় না করুক)। মরণে কিসের এতো ভয়?

কৌশিক আহমেদ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৪৯:২২
অলৌকিক, জেনারেল, সন্ধ্যাবাতির রাজনৈতিক বিশ্বাস বা ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে আমার পরিষ্কার দূরাস্থান, কিন্তু আমি তার লেখক স্বত্বাকে বেশী প্রমিনেন্ট দেখতে চাই। যখন সে লেখক তখন সে অনেক বেশী কমি্উনিকেট করতে পারে, কিন্তু যখন একটিভিজম করে এক অন্ধতার দিকে তখন ব্যক্তিগতভাবে আমি হতাশ হই। ফিরে আসুক তার সেই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেখার অনুভবগুলো, যা তাকে একদিন মানবপ্রেমী হতে আরো সহায়তা করবে।

জেনারেল বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫০:২৯
কৌশিক সব সময় নিজেরে একটু বেশি নামি দামি মনে করতে করতে গর্তে ঢুকার পরেও বুজতে পারে নাই আহম্মক টা।


অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫০:৩৪
তাই। তা সন্ধ্যাবাতিরে আমার প্রশ্ন করার পর তোমার সন্ধ্যাবাতির লেখা সম্পর্কে আগ্রহ উথলাইয়া উঠল। ব্লগারগো লগে ফাইজলামি কর, না?

সংস্থাপক বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫১:৫২
রাজাকারেরা যখন বিপাকে পড়ে তখন কিছু মধ্যপন্থী সুবিধাবাদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। ৭১এ যারা বাংগালি জাতিকে রেপ করেছে, তাদের আদর্শীদের যত কোয়ালিফিকেশনই থাক, তাদের প্রতি সবসময় ঘৃনার থুথুই থাকবে। গোলামাজমকে মহান নেতা বলা ধান্দাবাতিকে পুনর্বাসন পোষ্টে ১ দিলাম।

অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৩:৪০
সংস্থাপক @ ৭১ এ পাকি গো কিছু রাজাকার সাহায্যের হাত বাড়াইয়া দিছিল। আর এখন এই রাজাকারগো সাহায্যের হাত বাড়াইয়া দিছে নিওরাজাকার, যারা ৭১ এ পিচিচ আছিল।

অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৪:২১
১ ও দেই নাই। রাত জাগা একগাদা কষা থুথু ছিটাইলাম।

ক্ষ্যাপা বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৫:০৯
শুনো কৌশিক, শহীদ বুদ্ধিজীবি নামের তালিকা যে খুনীর ডায়েরীতে পাওয়া গেছিল তার নাম মইনুদ্দিন । সেও উদীয়মান কবি ছিলো । ইত্তেফাকে লিখতো ।
সন্ধ্যাবাতির লেখক স্বত্বা প্রমিনেন্ট হইলে তোমার কি লাভ? তার প্রমিনেন্ট লেখক স্বত্বা দিয়া সে তার দালালী স্বত্বা রে আরো বিকশিত করতে পারবে, এই তো?

এতো ভালো মানুষ সাইজো না কৌশিক । গত এক বছরে তুমি ফরহাদ মার্জার তরীকা ধরছো পুত্র । যেই লোভে নিজের আতনা শয়তানের কাছে বিক্রী করছো সেই সিদ্ধি তোমার হইবো না ।

সংস্থাপক বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৫:১২
এগুলা জাস্ট ইউজড কন্ডম। ভাবে মজা নিজেরাই লইতেছে, আসলে মজা যে অন্যের এইডা বুঝে না।

জেনারেল বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৫:৩৩
১ ও দেই নাই। রাত জাগা এক পোয়া হলুদ মুত ছিটাইলাম।

নাজিম উদদীন বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৬:০০
'সর্পমস্তকে মণি থাকলেও তা কি পরিত্যাজ্য নহে।'

ভাবসম্প্রসারণ করেন । @ কৌশিক

অাওরঙ্গজেব বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৭:১২
সালাম,
৫। ভাল ও সুন্দর আহ্বান। ধন্যবাদ।

জেনারেল বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৭:১৬
কৌশিক পচতে পচতে আর পচার জায়গা নাই।
ওরে মাফ করে দেন সবাই
আগের ধান্দাবাতির কাছেই ফিরে যাই

জেনারেল বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৭:৪৩
১ ও দেই নাই। রাত জাগা এক পোয়া হলুদ মুত ছিটাইলাম।

সাঈফ শেরিফ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৮:১৮
কৌশিক দা....কিছু মনে করবেন না....ব্লগে কি আর কোন ভাল লেখিকা বা লেখক নেই, যে আস্তকেই ভাল লেখার হাল ধরতে হবে........আস্ত যদি আজ কোন পুরুষ হতো....এতটা নরম করে, শুভাকাঙ্ক্ষীর সুরে কি অনুরোধ, ইন্সপায়ার করতে পারতেন?

মানুষকে 'অন্ধতার' সংজ্ঞা প্রদানের দ্বায়িত্ব আপনার না। এর সংজ্ঞা আপেক্ষিক।

"ফিরে আসুক তার সেই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেখার অনুভবগুলো, যা তাকে একদিন মানবপ্রেমী হতে আরো সহায়তা করবে।
"
তিনি কি এখন মানব বিদ্বেষী?
আস্ত'র মত কেউ ব্লগ ছেড়ে চলে গেলে...ব্লগের কার যায় আসে?
আপনার উদার দৃষ্টিভঙ্গি কেবল নারী কেন্দ্রিক না হয়...সে অনুরোধ করব।

ক্ষ্যাপা বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৯:২২
পুত্র তোমার জীবন ধন্য হইলো, দেখো কারা এসে আজ তোমাকে ৫ দিয়ে অভিনন্দিত করছে ।
এরা কি সেই শেয়াল ও শকুন নয়, যাদের নৃশংসতায় শিশু তুমি একদিন কান্না ও ভুলে গিয়েছিলে?

নাজিম উদদীন বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫৯:৫৪
নূড়া চলে গেল, তাকেও ডাকেন।

তার ইরানী কৌতুক ভাল লাগত।

অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:০০:৩৫
হে আল্লাহ। তুমি বাংলাদেশরে আর কোনো যুদ্ধের মুখোমুখি কইর না। ৭১ এ যেমন কবি মুইনুদ্দিনের ডায়রিতে বুদ্ধিজীবীদের লিস্ট পাওয়া গেছিল হত্যার জন্য। আবার যুদ্ধ লাগলে কৌশিকের ডায়রিতে না, ওর সিগারেটের প‌্যাকেটে ৭১ এর চেয়ে বেশি বুদ্ধিজীবীর নাম লেখা থাকব। জাতিরে এই বিপদ দিও না খোদা।

জেনারেল বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:০২:০৩
সিগারেটের প্যাকে লিখবে না, চকচকে টাকে লিকে ঘুরে বেড়াবে

গন্ডার' বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:০২:২১
ঘৃণার একদলা থুথু আর কিছুনা

অচেনা বাঙালি বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:০৩:২২
সংস্থাপক বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১০:৫১:৫২

রাজাকারেরা যখন বিপাকে পড়ে তখন কিছু মধ্যপন্থী সুবিধাবাদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। ৭১এ যারা বাংগালি জাতিকে রেপ করেছে, তাদের আদর্শীদের যত কোয়ালিফিকেশনই থাক, তাদের প্রতি সবসময় ঘৃনার থুথুই থাকবে। গোলামাজমকে মহান নেতা বলা ধান্দাবাতিকে পুনর্বাসন পোষ্টে ১ দিলাম।

কৌশিক আহমেদ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:০৬:০২
ক্ষ্যাপা, তোমাকে আমি চিনি না। কিছু মনে পড়ে না তেমন। তবে তুমি যেহেতু আমাকে বন্ধু মনে করছো নিঃসন্দেহে আমি তোমাকে বন্ধু বলতে পারি, সেটা আসলে তেমন মর্যাদাকর নয়। তবে তোমার চেয়ে সন্ধ্যাবাতি আমার অনেক ভাল বন্ধু। তোমার স্বাভাবিক আচরণ কামনা করছি। আমার ব্লগ আমার ব্যক্তিগত খাতা, সেখানে আমি আমার বন্ধুত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্বাস দুটোই থাকে। দুটোর মধ্যে আমি পার্থক্য করতে জানি। আশা করি তুমিও শিখবে।

ক্ষ্যাপা বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:১২:১৫
গোলাম আজমের কুক্কুরী সন্ধ্যাবাতির ভালো বন্ধু কৌশিক আহমেদ তুমি ও ভালো থাইকো ।

বাংলা ভাষা দিয়াই তো কবিতা লিখো,নাকি? দেইখো,কোনদিন শব্দ গুলো নিজেই লজ্জিত হইতে পারে

কৌশিক আহমেদ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:১৭:১৫
যারা ছুড়ে ফেলতে চান ছুড়ে ফেলুন। অবশ্য আমি কারো কোথায়ও স্থান নেবার মত নই। চেষ্টাও নেই। আমি কাউকেই ছুড়ে ফেলতে চাই না, সন্ধ্যাবাতিকে তো নয়ই। তোমরা যারা ব্লগে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ফাইট করো, বিশেষত এটিম তাদের আমার সবসময়ই স্যালুট। মাই রিয়েল কমরেডস। কিন্তু ব্লগার হিশেবে আমি এই প্লাটফর্মটাকে অনেক বেশী কার্যকর মনে করি যেখানে সদর্প বিচরণ থাকবে অপশক্তিরও। অপমতের। লেখায় যদি তীব্রতা দরকার হয় তবে তা সংঘাতের মধ্যে দিয়েই আসবে। কোন স্বৈরচারী বদ্ধঘরে ইন্টার‌্যাকটিভ কমিউনিকেশন হওয়া সম্ভব নয়। এটিমের সংশ্লিষ্টরা যেখাবে সন্ধ্যাবাতির রাজনৈতিক বিশ্বাসকে তুলোধুনো করতে পারছো - সেটা অনেক ব্লগার দেখছে, দরকার সেটাই।

অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:১৯:১৪
হ। গোলাম আজমরে সন্ধ্যাবাতি কি ভাবে এইটা যখন জানতে চাইতাছি এটিমের পক্ষ থিকা। তখন তোমার হের ভালো লেখাগুলার সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে হইল। আবার কও এটিম-মাই রিয়েল কমরেডস।

কথা কি মুখ দিয়া কও না পুটকি দিয়া। হাইগা পানি লইছ আজকে?

কৌশিক আহমেদ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:২০:০৭
তোমার এই কথাটা আমি তো সন্ধ্যাবাতিকেও বলতে পারি। বাংলা ভাষা দিয়াই তো কবিতা লিখো,নাকি? দেইখো,কোনদিন শব্দ গুলো নিজেই লজ্জিত হইতে পারে।
বলে দিলাম। শব্দ একদিন হয়তো ক্ষ্যাপা হবে। শব্দ হয়তো একদিন সন্ধ্যাবাতিকে রাজাকারদের সহচর থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করবে। হতেই হবে।

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:২১:৫৭
ধন্যবাদ কৌশিক দা।
আমার কৌতুহল আর ইন্টারেস্টের ব্যাপ্তি অনেক বেশি বড়... রাজনীতি সম্পর্কে আমার ততটুকুই আগ্রহ, যতটুকু ইউনিভার্সিটিতে পড়তে গেলে, নিয়মিত খবর দেখলে, সচেতন মানুষ হলে জন্মে যায়। তারপরেও, আমি একজন মানুষের ব্যক্তি সত্ত্বাকে রাজনীতির উপরে মনে করি, কারণ রাজনীতিবিদরা মানুষের মন নিয়ে খেলে, আমি একজন মানুষ হয়ে বড়জোর তাদের আচরণের ব্যাখ্যা দাড় করাতে পারি নিজের মত, কিন্তু একজন ব্যক্তি মানুষ, আমার কাছে আর সব কিছুর চেয়ে বড়। আমি কিন্তু রাজনীতি নিয়ে বলতে আসি নি, বলিও না এখন, এতটা সিক এবং বিশ্রী লাগে, মনে হয় কিছু মানুষ মঞ্চে উঠিয়ে দিয়ে নিজের মত খেল দেখে, আমরা নিজেরা খেলে যাই...আমি কিন্তু রাজনীতি নিয়ে বলতে আসিও নাই। আইজুদ্দিন আমাকে ব্লগে যেই পর্ণোগ্রাফিক আক্রমন করেছিল, দিনের পর দিন, সেটা সে দিব্যি চাপা দিয়ে এখন নারী স্বাধীনতার কথা বলে, ন্যায়ের কথা বলে!!!! এই স্পর্ধায় আমি আশ্চর্য হই, এবং যেহেতু অন্যায় দেখলে চুপ থাকতে পারি না, সব সময় সব সত্য বলতে হয় না জেনেও, তাই বলে ফেলি। আর আমাকে ইচ্ছাকৃত ভাবে রাজনৈতিক আলোচনায় টেনে নামানো হয়।

আমি যদি সত্যিই রাজনীতি নিয়ে সিরিয়াসলী লিখতে চাই, আমার লেখনী আর বুদ্ধিমত্তায় আমার বিশ্বাস আছে, আমি লিখতে পারবো, খুবই কনভিনসিংলিই লিখতে পারবো। কিন্তু সত্যটা হচ্ছে, আমি সত্যিই লিখতে চাই না। আমি নিজের মত করে আরেকটু বড় হতে চাই, আমার বড় হওয়া এখনও বাকি আছে। কিন্তু যদি এ টিম গুতাতে থাকে, তাহলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পরে রাজনৈতিক লেখায় হাত দিতে টেম্পটেড ফীল করবো। ইহাই হচ্ছে সত্য কথা। কারণ, আমি ইনকনভেনিয়েন্ট ট্রুথ নিয়ে চুপ থাকা শিখি নাই। সেটা আমার হিপোক্রেসী মনে হয়। আর আমি নিজের মত লিখছি। এ টিম সুযোগ পেলেই ঘাটাঘাটি করতে চাচ্ছে! নিজেরা মৌলিক কিছু কখনই লিখতে পারে না, নর্দমায় ডুবে থেকে শুধু অন্যদেরও টেনে নামানো ছাড়া আর কি পারে ওরা!

অলৌকিক হাসান বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:২৩:৩৭
গোলাম আজমরে নিয়া কিছু লিখো @ সন্ধ্যাবাতি।

কৌশিক আহমেদ বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:২৪:১০
অলৌকিক তোমার যা ইচ্ছে করবে আমারও তাই ইচ্ছে করবে নাকি! আরো কিছু গালি দিয়ে তোমার ঝাল মেটাতে পারো। আমি অবশ্য এই পোস্টটাকে একটা পর্যন্ত রেখে ডিলিট করে দেব, তেমন চিন্তা নিয়েই লিখেছি। আমার উদ্দেশ্য ছিল সন্ধ্যাবাতি যেন তার কিছু জীবনঘনিষ্ঠ লেখা নিয়ে হাজির হয়, ভেবে দেখে তার শক্তি নিয়ে। মনে হয় ভিউটা কমিউনিকেটেড হয়ে গেছে।

অচেনা বাঙালি বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:২৪:১৭
ভন্ড মিথ্যাবাদী

জেনারেল বলেছেন :
২০০৭-১২-১৩ ১১:২৪:৩২
গোলাম আযম সম্পক্কে তুমার কি মতামত @ ধান্দাবাতি?